Sunday, 4 December 2016

অনার্স ২য় বর্ষ ২০১৬ এর সেশন (২০১৪-১৫) এর রুটিন প্রকাশিত, রুটিন দেখেনিন

Mohammad Rony: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স ২য় বর্ষ ২০১৬ এর সেশন (২০১৪-১৫) এর রুটিন প্রকাশিত, পরীক্ষা শুরু ৭ ই জানুয়ারি, সময় সকাল ৯ টা থেকে


আমাদের সকল পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন

আমাদের পেজে লাইক দিয়ে রাখতে পারেন,


National University Student's Community
যেসকল নিন্দকগণ এখনো এই রুটিনকে মিথ্যা প্রমান করতে উঠে পড়ে লেগেছেন তারা এইটা দেখেনিন


http://www.nu.edu.bd/home/all_notice_download_content/Examination/December_2016/




Share:

Saturday, 3 December 2016

অনার্স ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষার রুটিন পরিবর্তন, ৩/১/২০১৭ তারিখ থেকে পরীক্ষা শুরু, নতুন রুটিন দেখুন

Mohammad Rony: অনার্স ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষার রুটিন পরিবর্তন, ৩/১/২০১৭ তারিখ থেকে পরীক্ষা শুরু, নতুন রুটিন দেখুন


আমাদের সকল পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন

আমাদের পেজে লাইক দিয়ে রাখতে পারেন,













Share:

Wednesday, 30 November 2016

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা কলেজ গুলোর নাম জেনেনিন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেষ্ঠ কলেজের র‌্যাংকিং প্রকাশ



আমাদের সকল পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন

আমাদের পেজে লাইক দিয়ে রাখতে পারেন,



জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত দেশের শ্রেষ্ঠ কলেজের র‌্যাংকিং প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ৩১টি সূচকের ভিত্তিতে দেশের ৬৮৫টি অনার্স ও মাস্টার্স কলেজের মধ্যে ৫টি ক্যাটাগরিতে ৭৮টি কলেজের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
শনিবার দুপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ধানমণ্ডিস্থ ঢাকা নগর কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাংকিংয়ের ফলাফল ঘোষণা করেন।
হারুন-অর-রশিদ জানান, ৩১টি সূচকে প্রাপ্ত স্কোরের ভিত্তিতে ২০১৫ সালে কলেজগুলোর মধ্যে র‌্যাংকিং নির্ধারণ করা হয়।
জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ৫টি, সেরা মহিলা কলেজ ১টি, সেরা সরকারি কলেজ ১টি, সেরা বেসরকারি কলেজ ১টি এবং ৭টি আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রত্যেকটিতে ১০টি করে ৭০টি কলেজসহ মোট ৭৮টি নির্বাচিত সেরা কলেজকে নির্ধারণ করা হয়।
কলেজগুলোকে আগামী ২০ মে শুক্রবার বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মারক সম্মাননা, সনদ ও পুরস্কার প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
এ বিষয়ে হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজন দেশে প্রথম। এর ফলে কলেজসমূহ তাদের স্ব-স্ব অবস্থান জানতে পারবে এবং এবং কীভাবে শিক্ষার সার্বিক অবস্থার আরও উন্নতি করা যায়, সে জন্য প্রচেষ্টা গ্রহণ করবে।’
কলেজসমূহের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে, যা কলেজ পর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।
জাতীয় পর্যায়ে ৫টি সেরা কলেজ : রাজশাহী কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা কমার্স কলেজ, সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, বরিশাল।
জাতীয় পর্যায়ে সেরা মহিলা কলেজ : ইডেন মহিলা কলেজ। জাতীয় পর্যায়ে সেরা সরকারি কলেজ : রাজশাহী কলেজ।
জাতীয় পর্যায়ে সেরা বেসরকারি কলেজ : ঢাকা কমার্স কলেজ।
ঢাকা-ময়মনসিংহ অঞ্চলের ১০টি সেরা কলেজ : ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা কমার্স কলেজ, আনন্দমোহন কলেজ, ময়মনসিংহ, সরকারি সা’দত কলেজ, টাঙ্গাইল, লালমাটিয়া মহিলা কলেজ, ঢাকা, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা, সরকারী বাঙলা কলেজ, ঢাকা, ঢাকা সিটি কলেজ ও কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ঢাকা।
চট্টগ্রাম অঞ্চলের ১০টি সেরা কলেজ : চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ, সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ, কুমিল্লা, ফেনী সরকারি কলেজ, সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম, সরকারি মহিলা কলেজ, চট্টগ্রাম, সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসীন কলেজ, চট্টগ্রাম, পটিয়া সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সরকারি কলেজ, ওমরগণি এম ই এস কলেজ, চট্টগ্রাম।
রাজশাহী অঞ্চলের ১০টি সেরা কলেজ : রাজশাহী কলেজ, সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ, ভবানীগঞ্জ কলেজ, রাজশাহী, সৈয়দ আহমদ কলেজ, বগুড়া, রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ সরকারি কলেজ, সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজ, বগুড়া ও নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজ, রাজশাহী।
খুলনা অঞ্চলের ১০টি সেরা কলেজ : সরকারি এম এম কলেজ, যশোর, কুমিরা মহিলা ডিগ্রি কলেজ, সাতক্ষীরা, সরকারি মহিলা কলেজ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ, উপশহর মহিলা ডিগ্রি কলেজ, যশোর, সাতক্ষীরা সিটি কলেজ, কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি পিসি কলেজ, বাগেরহাট, সরকারি শ্যামনগর মহসীন কলেজ, সাতক্ষীরা ও নওয়াপাড়া কলেজ, যশোর।
বরিশাল অঞ্চলের ৯টি সেরা কলেজ : সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, বরিশাল, সরকারি মহিলা কলেজ, বরিশাল, সরকারি বরিশাল কলেজ, ভোলা সরকারি কলেজ, বরগুনা সরকারি কলেজ, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল, সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ, পিরোজপুর, চরফ্যাশন সরকারি কলেজ, ভোলা ও সরকারি ফজলুল হক কলেজ, বরিশাল।
সিলেট অঞ্চলের ৮টি সেরা কলেজ : এমসি কলেজ, সিলেট, বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, হবিগঞ্জ, সরকারি মহিলা কলেজ, সিলেট, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ, মদনমোহন কলেজ, সিলেট, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ, দক্ষিণ সুরমা কলেজ, সিলেট ও সরকারি শ্রীমঙ্গল কলেজ, মৌলভীবাজার।
রংপুর অঞ্চলের ১০টি সেরা কলেজ : কারমাইকেল কলেজ, রংপুর, দিনাজপুর সরকারি কলেজ, দিনাজপুর, আলিমুদ্দিন কলেজ, লালমনিরহাট, সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজ, রংপুর, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ, উত্তরবাংলা কলেজ, লালমনিরহাট, নীলফামারী সরকারি কলেজ, দিনাজপুর সরকারি মহিলা কলেজ, লালমনিরহাট সরকারি কলেজ, লালমনিরহাট ও রংপুর সরকারি কলেজ।
Share:

৭ সরকারি কলেজ যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিস্তারিত পড়ুন)



রাজধানীর বড় ৭টি কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যাচ্ছে। এসব কলেজ বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করছে। সোমবার শেষ বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুমোদনের জন্য তা দু’একদিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে।

কলেজগুলো হচ্ছে- ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বদরুন্নেসা কলেজ, মিরপুর বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজ। এসব কলেজে বর্তমানে প্রায় পৌনে ৩ লাখ ছাত্রছাত্রী আছে। বৈঠক সূত্র জানায়, এসব কলেজের কার্যক্রম সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন হলে পরবর্তী সময় অন্য সরকারি কলেজও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পাঠানো হবে।

আমাদের সকল পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন
National University | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
National University of bangladesh (session 2016-2017)

আমাদের পেজে লাইক দিয়ে রাখতে পারেন,


ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, অতিরিক্ত সচিব হেলালউদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশীদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অতিরিক্ত পরিচালক ড. ফেরদৌস জামান তুহিন এতে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অংশ নেয়া কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত প্রকাশে রাজি হননি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক-নির্দেশনা ছিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সরকারি কলেজগুলো অঞ্চলভেদে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ছেড়ে দেয়ার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হওয়ায় শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের কেউই প্রকাশ্যে এর নেতিবাচক দিক সম্পর্কে কিছু বলতে পারছিলেন না। তবে ‘অব দ্য রেকর্ড’ সরকারপন্থী বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদদের বেশির ভাগই এ ধরনের পদক্ষেপ বাস্তবায়নের আগে ভেবে দেখার তাগিদ দিচ্ছিলেন। তাদের মতে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কলেজ পরিচালনায় ব্যর্থ হওয়ার কারণেই ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর সরকারি ও বেসরকারি কলেজগুলো পরিচালনার ভার দেয়া হয়। তাই কলেজগুলো আগের জায়গায় পাঠালে দেশ আবার ২৪ বছর পূর্বে ফিরে যাবে। তাছাড়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নিজেরাই নানা সমস্যায় জর্জরিত।

২০১৪ সালের ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে উল্লিখিত দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন। মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এরপর ইউজিসি একাধিক বৈঠক করে। এরমধ্যে প্রথম বৈঠকে ভিসিদের পক্ষ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আসে। যদিও বেশির ভাগ ভিসিই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের পক্ষে মত দেন। কিন্তু তারা ‘তবে’ রেখে মতামত দেন। ওই তবে হচ্ছে, বাড়তি কলেজ দিতে হলে অবকাঠামো, জনবল এবং নতুন বরাদ্দ দিতে হবে। বিপরীত দিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে রাজস্ব খাতে বর্তমানে সরকার কোনো বরাদ্দ দেয় না। দেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিজের আয়ে চলে থাকে।

জানা গেছে, এরপর এ সংক্রান্ত কাজ সম্পন্নের লক্ষ্যে একাধিক কমিটি গঠন করেছিল ইউজিসি। কমিটিগুলো সুপারিশ তৈরির মধ্যেই কাজ সীমিত রাখে। এমন অবস্থায় পার হয়ে যায় ২৭ মাস। বিপরীত দিকে প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বারবার তাগিদ আসছিল। এমন পরিস্থিতি ইউজিসির দ্বিতীয় কমিটি দেশের ১৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এরিয়া নির্ধারণ করে ২৭৬টি কলেজ ভাগ করে দেয়। প্রস্তাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইডেন, বদরুন্নেসা, তিতুমীর, আনন্দমোহন ও ঢাকা কলেজসহ ৩৩টি পেয়েছে। এভাবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ২০টি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ১৬, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ২০, নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয় ২০, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ৮, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৪, জাহাঙ্গীরনগর ৮, ইসলামী আরবি ১, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৯, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ১৪, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৫, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ১৭, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ৫, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ২৮, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১১, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১২, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ১৩ এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৩টি কলেজ পাবে। ইউজিসির কমিটির পাশাপাশি এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কি লাগবে সে তথ্য চায়। এ ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য দিতে গড়িমসি করছিল। কয়েকদফা তাগিদের পর পূর্ণাঙ্গ তথ্য পায় ইউজিসি। সে হিসেবে অবকাঠামো, বাজেট, জনবলসহ বিভিন্ন খাতে প্রায় এক হাজার কোটি টাকার দাবি আসে। ইউজিসির একজন কর্মকর্তা জানান, এ হিসাব তৈরির পর আরও ২৬৩টি কলেজ সরকারি হয়েছে। যদি এসব কলেজও উল্লিখিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অধীনে ছেড়ে দিতে হয়, তাহলে খরচ আরও বাড়বে। সোমবারের বৈঠকে সার-সংক্ষেপ আকারে এসব তথ্যই তুলে ধরা হয়।

বৈঠক সূত্র জানায়, কলেজগুলো ভাগাভাগির নেতিবাচক প্রভাবসহ সার্বিক দিক পর্যালোচনা শেষে সোমবার কেবল ঢাকার ৮টি কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু সরকারি বিজ্ঞান কলেজে অনার্স-মাস্টার্স পাঠদান করা হয় না। এ কারণে এটি পরে তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী সর্বশেষ পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি কলেজ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু ঢাকার কোন কলেজ রেখে কোনটি দেয়া হবে, এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন ধরনের প্রতিক্রিয়া হবে- ইত্যাদি পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনা করতে গিয়ে বৈঠকের সদস্যরা একমত হতে পারেননি। সে কারণে ৭টি কলেজই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ১৯৯২ সালে আইন করেই কলেজগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে দিতে হয়েছে। এখন আইন করেই তা সেখান থেকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দিতে হবে। এজন্য আপাতত এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বাড়তি অবকাঠামো দিতে হবে না। তবে জনবল এবং বাজেট দিতে হবে বলে ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাহিদা দেয়া হয়েছে। আইন করে দিতে হবে।
Share:

Tuesday, 29 November 2016

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে অনার্স ভর্তির রিলিজ স্লিপে আবেদনের বিস্তারিত তথ্য


Mohammad Rony: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি কার্যক্রমের রিলিজ স্লিপের অনলাইন আবেদন ০৪ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখ বিকাল ৪টা থেকে শুরু হয়ে ১১ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে৷  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
যারা রিলিজ স্লিপের আবেদন করতে পারবেঃ
  • যারা মেধা তালিকায় স্থান পায়নি
  • যারা মেধা তালিকায় স্থান পেয়েও ভর্তি হয়নি
  • যারা ভর্তি বাতিল করেছে
আমাদের সকল পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের পাশাপাশি লেখাপড়া বিডি’র এই পোস্ট থেকেও অনলাইনে আবেদন করা যাবে।  রিলিজ স্লিপে আবেদন সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশিকা নিচে দেওয়া হলোঃ
লগইন (Login): রিলিজ স্লিপে আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীকে এই পোস্টের নিচে দেওয়া লিঙ্কে গিয়ে সঠিক রোল নম্বর ও পিন কোড এন্ট্রি দিয়ে Login করতে হবে৷ এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর নাম ও অন্যান্য তথ্যসহ রিলিজ স্লিপের আবেদন ফরম Website-এ প্রদর্শিত হবে৷
কলেজ ও কোর্সের পছন্দক্রম নির্ধারণঃ রিলিজ স্লিপে আবেদনের জন্য College Selection option এ গিয়ে আবেদনকারী তার পছন্দ অনুযায়ী কলেজ Select করলে ঐ কলেজের কোর্সভিত্তিক শূন্য আসনের তালিকা ও তার Eligible কোর্সের তালিকা দেখতে পাবে৷ এ পর্যায়ে আবেদনকারী তার Eligible কোর্সের তালিকা থেকে নতুন করে পছন্দক্রম নির্ধারণ করে এন্ট্রি দিবে৷ এভাবে একজন আবেদনকারী তার পছন্দ অনুযায়ী সর্বোচ্চ পাঁচটি কলেজে পর্যায়ক্রমে কোর্স পছন্দক্রম নির্ধারণ করে এন্ট্রি দিতে পারবে৷
আবেদন ফরম চূড়ান্তকরণঃ সঠিক তথ্যসহকারে ফরম পূরণ করে প্রথমে Save করে অনলাইনে Submit করলে আবেদনকারী তার নাম, রোল নম্বর, পিন কোড ও কলেজের নাম ও কোর্সের পছন্দক্রমসহ একটি নতুন আবেদন ফরম এ দেখতে পাবে৷ উক্ত ফরমটি Download করেA4 (8.5”×11”) অফসেট সাদা কাগজে প্রিন্ট (Print) নিতে হবে তবে এটি সংশ্লিষ্ট কলেজসমূহে জমা দিতে হবে না৷
রিলিজ স্লিপের আবেদন ফরম বাতিলকরণঃ রিলিজ স্লিপের আবেদন ফরম চূড়ান্তকরণের পরও যদি কোন শিক্ষার্থী তার আবেদন ফরমে কলেজ/কোর্সের পছন্দক্রম সংশোধন বা পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক হলে তাকে এই পোস্টের নিচে দেওয়া লিঙ্কে গিয়ে আবেদন ফরমের রোল নম্বর ও পিন এন্ট্রি দিতে হবে৷ এ পর্যায়ে আবেদনকারীকে Form Cancel option এ গিয়ে Click to Generate the Security key অপশনটি ক্লিক করতে হবে৷ এ সময়ে শিক্ষার্থী তার আবেদন ফরমে উল্লিখিত ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে SMS এর মাধ্যমে এবং একই সংগে ই-মেইলে One Time Password (OTP) পাবে৷ এই OTP এন্ট্রি দিয়ে শিক্ষার্থী তার আবেদন ফরমটি বাতিলপূর্বক নতুন করে আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবে৷ এ লক্ষ্যে আবেদনকারীকে তার ব্যক্তিগত সঠিক মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল নম্বর সর্তকতার সংগে আবেদন ফরমে সংযোজন করতে হবে৷
রিলিজ স্লিপের ফলাফলঃ  রিলিজ স্লিপের ফলাফল নির্ধারিত সময়ে প্রকাশ করা হবে৷ রিলিজ স্লিপে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের কোর্স পরিবর্তনের কোন সুযোগ থাকবে না৷
চূড়ান্ত ভর্তির ফরম সংগ্রহ ও ভর্তিঃ  শিক্ষার্থী রিলিজ স্লিপের মাধ্যমে তার নির্বাচিত কলেজে কোর্স বরাদ্দ পেলে এই পোস্টের নিচে দেওয়া লিঙ্কের Login অপশনে গিয়ে ভর্তির আবেদন ফরম প্রিন্ট করবে৷ এই আবেদন ফরমের সংগে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার নম্বরপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ডের সত্যায়িত কপি ও ভর্তি রেজিস্ট্রেশন ফি সংশ্লিষ্ট কলেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে৷ রিলিজ স্লিপের ভর্তির আবেদন ফরমের একটি কপি অধ্যক্ষ/দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের স্বাক্ষর ও সীলসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীকে ফেরত দিবে ৷

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির রিলিজ স্লিপে আবেদন করুন এখান থেকঃ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন
Share:

Unordered List

Loading...

আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

Recent Posts

Most Popular

Followers

Follow by Email