Monday, 20 February 2017

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি !!!
৭৯ তম বিএমএ কোর্স ও আর্মি মেডিকেল কোরে আবেদন করতে পারবেন।
২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীগণ আবেদন করতে পারবেন।
এছাড়া পুরুষ ও মহিলা উভয়-ই আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের সময়সীমাঃ ২৫ ফেব্রুয়ারি ও ০৪ মার্চ ২০১৭





বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি !!!
৭৯ তম বিএমএ কোর্স ও আর্মি মেডিকেল কোরে আবেদন করতে পারবেন।
২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীগণ আবেদন করতে পারবেন।
এছাড়া পুরুষ ও মহিলা উভয়-ই আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের সময়সীমাঃ ২৫ ফেব্রুয়ারি ও ০৪ মার্চ ২০১৭





Share:

Saturday, 18 February 2017

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পড়ুন

অধিভুক্ত হওয়ায় এখন থেকে ওইসব কলেজের ভর্তি পরীক্ষা, শিক্ষা কার্যক্রম, একাডেমিক পরীক্ষা, ফলাফল প্রণয়ন এবং সিলেবাস প্রণয়ন সবকিছুই থাকবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। কলেজগুলো হলো: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।

আমাদের সকল পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন
এসব কলেজের শিক্ষার্থীরা সনদও পাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষার্থী এবং অধিভুক্ত কলেজসমুহের শিক্ষার্থীদের সনদে পার্থক্য থাকবে।
বিষয়টি স্পষ্ট করে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিক চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীদের সনদে লেখা থাকে সে কোন হলের শিক্ষার্থী এবং কোন বিভাগ থেকে পাশ করেছে। আর ওইসব কলেজের শিক্ষার্থীদের সনদে লেখা থাকবে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজের (স্ব স্ব কলেজের নাম) কোন বিষয় থেকে পাশ করেছে সেটা।’
অধিভুক্ত হওয়া মানেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ে যাওয়া না, বিষয়টি স্পষ্ট করে উপাচার্য বলেন, আমাদের অধিভুক্ত কলেজের সংখ্যা এখন ১০৪টি। নতুন সাতটি যোগ হওয়ায় এ সংখ্যা এখন ১১১টি হবে। অন্য কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যেভাবে পরিচালনা করে আসছিল এ কলেজগুলোর কার্যক্রমও সেভাবে পরিচালিত হবে, নতুন কিছু না।
এই সাতটি কলেজ যুক্ত হওয়ার আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ১০৪টি কলেজ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪০ হাজার ৬৯৮ জন, শিক্ষক ৭ হাজার ৫৯১ জন। নতুন সাতটি কলেজের মোট অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী সংখ্যা এক লাখ ৬৭ হাজার ২৩৬ এবং শিক্ষক সংখ্যা এক হাজার ১৪৯।

ফলে নিজস্ব ৩১ হাজার ৯৫৫ জন শিক্ষার্থীর বাইরে আরও ২ লাখ ৮ হাজার শিক্ষার্থীর দেখভালের দায়িত্ব এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁধে।
সনদে পার্থক্য
নতুন অধিভুক্ত হওয়ার সাতটি কলেজ থেকে পাশ করে যাওয়া শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ পেলেও এখন থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা পাবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ। তবে সেই সনদ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের সনদ থেকে সম্পুর্ণ আলাদা হবে। কারণ সনদে স্ব স্ব কলেজ এবং বিভাগের নাম স্পষ্ট উল্লেখ থাকবে বলে চ্যানেল আই অনলাইনকে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের সনদপ্রাপ্তির ব্যাপারে ঢাকা কলেজর অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, এখন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সবকিছু পরিচালিত হওয়ায় এখনও যারা পাশ করে বের হয়ে যায়নি তারা সবাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইস্যু করা সনদ পাবে।
শিক্ষার মানোন্নয়নেই সরকারের এ সিদ্ধান্ত
অধিভুক্তিকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দাবি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সরকারি কলেজগুলোর উচ্চ শিক্ষার মান আশানুরুপ উন্নতি না হওয়ার কারণে সরকারি কলেজগুলোকে আবারো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তিকরণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এসব কলেজসহ রাজধানী ও আশেপাশের প্রায় সব সরকারি কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে তা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলে যায়।
অধিভুক্ত হওয়ায় এখন থেকে ওইসব কলেজের ভর্তি পরীক্ষা, শিক্ষা কার্যক্রম, একাডেমিক পরীক্ষা, ফলাফল প্রণয়ন এবং সিলেবাস প্রণয়ন সবকিছুই থাকবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। কলেজগুলো হলো: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।

আমাদের সকল পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন
এসব কলেজের শিক্ষার্থীরা সনদও পাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষার্থী এবং অধিভুক্ত কলেজসমুহের শিক্ষার্থীদের সনদে পার্থক্য থাকবে।
বিষয়টি স্পষ্ট করে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিক চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীদের সনদে লেখা থাকে সে কোন হলের শিক্ষার্থী এবং কোন বিভাগ থেকে পাশ করেছে। আর ওইসব কলেজের শিক্ষার্থীদের সনদে লেখা থাকবে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজের (স্ব স্ব কলেজের নাম) কোন বিষয় থেকে পাশ করেছে সেটা।’
অধিভুক্ত হওয়া মানেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ে যাওয়া না, বিষয়টি স্পষ্ট করে উপাচার্য বলেন, আমাদের অধিভুক্ত কলেজের সংখ্যা এখন ১০৪টি। নতুন সাতটি যোগ হওয়ায় এ সংখ্যা এখন ১১১টি হবে। অন্য কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যেভাবে পরিচালনা করে আসছিল এ কলেজগুলোর কার্যক্রমও সেভাবে পরিচালিত হবে, নতুন কিছু না।
এই সাতটি কলেজ যুক্ত হওয়ার আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ১০৪টি কলেজ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪০ হাজার ৬৯৮ জন, শিক্ষক ৭ হাজার ৫৯১ জন। নতুন সাতটি কলেজের মোট অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী সংখ্যা এক লাখ ৬৭ হাজার ২৩৬ এবং শিক্ষক সংখ্যা এক হাজার ১৪৯।

ফলে নিজস্ব ৩১ হাজার ৯৫৫ জন শিক্ষার্থীর বাইরে আরও ২ লাখ ৮ হাজার শিক্ষার্থীর দেখভালের দায়িত্ব এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁধে।
সনদে পার্থক্য
নতুন অধিভুক্ত হওয়ার সাতটি কলেজ থেকে পাশ করে যাওয়া শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ পেলেও এখন থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা পাবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ। তবে সেই সনদ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের সনদ থেকে সম্পুর্ণ আলাদা হবে। কারণ সনদে স্ব স্ব কলেজ এবং বিভাগের নাম স্পষ্ট উল্লেখ থাকবে বলে চ্যানেল আই অনলাইনকে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের সনদপ্রাপ্তির ব্যাপারে ঢাকা কলেজর অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, এখন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সবকিছু পরিচালিত হওয়ায় এখনও যারা পাশ করে বের হয়ে যায়নি তারা সবাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইস্যু করা সনদ পাবে।
শিক্ষার মানোন্নয়নেই সরকারের এ সিদ্ধান্ত
অধিভুক্তিকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দাবি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সরকারি কলেজগুলোর উচ্চ শিক্ষার মান আশানুরুপ উন্নতি না হওয়ার কারণে সরকারি কলেজগুলোকে আবারো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তিকরণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এসব কলেজসহ রাজধানী ও আশেপাশের প্রায় সব সরকারি কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে তা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলে যায়।
Share:

Friday, 17 February 2017

অমর একুশে নিয়ে মাস্টারমাইন্ড স্কুলের নগ্নপ্রকাশ


বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন বাঙালির জাতীয় জীবনে এক মর্মন্তুদ অথচ গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। বিশ্বের ইতিহাসে ভাষার জন্য অকাতরে জীবন দেয়ার দৃষ্টান্ত একমাত্র আমরাই স্থাপন করতে পেরেছি।
বস্তুত, ভাষাশহীদদের রক্তস্নাত পথ ধরেই জাতি পৌঁছে ছিল '৭১-এর বিজয়-তোরণ দ্বারে। এ কারণে ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য শুধু বায়ান্নতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ওই আন্দোলনের অঙ্কুরিত বীজই পরবর্তীতে মহান মুক্তিযুদ্ধের সফল পটভূমি রচনা করেছিল। বাস্তবতা পেয়েছিল একটি স্বাধীন জাতিরাষ্ট্রের স্বপ্ন।
ভাষার জন্য বাঙালির সেই আত্মবলিদানের স্বীকৃতি ও সম্মান দিয়েছে তাবৎ বিশ্ব। যে কারণে আমাদের ‘অমর একুশে ফেব্রুয়ারি’ এখন ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবেও পালিত হচ্ছে।
জাতির সূর্যসন্তান ভাষাশহীদ সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারদের স্মৃতি চিরজাগরুক হয়ে আছে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে। কিন্তু ভাষার এ মাসে বিস্মৃতির এ কোন নজির দেখালো মাস্টারমাইন্ড স্কুল কর্তৃপক্ষ! এটা কি নিছক ভুল? অবজ্ঞা? নাকি আত্মপরিচয়ের ব্যাপারে সীমাহীন উদাসীনতার নগ্নপ্রকাশ।
অমর একুশে উপলক্ষে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ওই স্কুল কর্তৃপক্ষের ব্যানার দেখে এসব প্রশ্নই জাগছে সচেতন নাগরিকদের মনে। কালো রঙের পটভূমিতে লেখা রয়েছে ‌আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/আমি কি ভুলিতে পারি...। এক পাশে দেখা যাচ্ছে বাঙালির আত্মগরিমার প্রতীক শহীদ মিনার। কিন্তু ঠিক তার উপরের দৃশ্য দেখেই চক্ষু চড়কগাছ!
শহীদ মিনারের উপরে সুনিপুণভাবে আঁকা হয়েছে ভাষাশহীদ নন, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ৭ বীরশ্রেষ্ঠর ছবি। লীনা পারভীন তার ফেসবুক ওয়ালে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ছবিটি পোস্ট করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সেই ছবি ভাইরাল। ধিক্কার জানাচ্ছেন সচেতন নাগরিকরা।
নাদেরা সুলতানা নদী মন্তব্য করেছেন- ...এবার একটা ঝড় উঠুক, কোথাও তো কেউ আছে বলে মনে হচ্ছে না, কান্না পাচ্ছে আমার খুব!!!
আশরাফুল আজম খান নামে একজন মন্তব্য করেছেন- আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিকাশ যে হইতেছে তাহার নিদর্শন বৈকি!
আমিনা আফরোজ আনা লিখেছেন- ইতিহাস বিকৃত হতে হতে শেষে কোথায় যে গিয়ে দাঁড়াবে!
নাজমুল তপন মন্তব্য করেছেন- ধরনী দ্বিধা হও!
প্রশ্ন হচ্ছে- মাস্টারমাইন্ড স্কুল কর্তৃপক্ষ হয়তো কোনো প্রতিষ্ঠানে ফরমায়েশ দিয়ে ব্যানারটি বানিয়েছে। ধরে নিলাম স্বল্পশিক্ষিত পেশাদার আর্টিস্ট ভুল করে ভাষাশহীদদের স্থলে মুক্তিযোদ্ধাদের ছবি এঁকেছেন। কিন্তু জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসের এ ব্যানারটি টানানোর আগে একবার চোখ বোলানোর সময় হলো না কর্তৃপক্ষের! তারা কি একবারও ব্যানারটি দেখার প্রয়োজন বোধ করলেন না? নাকি বাণিজ্য-বেসাতির ধান্দায় তারা চোখে ঠুলি পরে আছেন। যে কারণে এতো বড় ভুলটি তাদের চোখে পড়লো না!

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন বাঙালির জাতীয় জীবনে এক মর্মন্তুদ অথচ গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। বিশ্বের ইতিহাসে ভাষার জন্য অকাতরে জীবন দেয়ার দৃষ্টান্ত একমাত্র আমরাই স্থাপন করতে পেরেছি।
বস্তুত, ভাষাশহীদদের রক্তস্নাত পথ ধরেই জাতি পৌঁছে ছিল '৭১-এর বিজয়-তোরণ দ্বারে। এ কারণে ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য শুধু বায়ান্নতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ওই আন্দোলনের অঙ্কুরিত বীজই পরবর্তীতে মহান মুক্তিযুদ্ধের সফল পটভূমি রচনা করেছিল। বাস্তবতা পেয়েছিল একটি স্বাধীন জাতিরাষ্ট্রের স্বপ্ন।
ভাষার জন্য বাঙালির সেই আত্মবলিদানের স্বীকৃতি ও সম্মান দিয়েছে তাবৎ বিশ্ব। যে কারণে আমাদের ‘অমর একুশে ফেব্রুয়ারি’ এখন ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবেও পালিত হচ্ছে।
জাতির সূর্যসন্তান ভাষাশহীদ সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারদের স্মৃতি চিরজাগরুক হয়ে আছে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে। কিন্তু ভাষার এ মাসে বিস্মৃতির এ কোন নজির দেখালো মাস্টারমাইন্ড স্কুল কর্তৃপক্ষ! এটা কি নিছক ভুল? অবজ্ঞা? নাকি আত্মপরিচয়ের ব্যাপারে সীমাহীন উদাসীনতার নগ্নপ্রকাশ।
অমর একুশে উপলক্ষে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ওই স্কুল কর্তৃপক্ষের ব্যানার দেখে এসব প্রশ্নই জাগছে সচেতন নাগরিকদের মনে। কালো রঙের পটভূমিতে লেখা রয়েছে ‌আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/আমি কি ভুলিতে পারি...। এক পাশে দেখা যাচ্ছে বাঙালির আত্মগরিমার প্রতীক শহীদ মিনার। কিন্তু ঠিক তার উপরের দৃশ্য দেখেই চক্ষু চড়কগাছ!
শহীদ মিনারের উপরে সুনিপুণভাবে আঁকা হয়েছে ভাষাশহীদ নন, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ৭ বীরশ্রেষ্ঠর ছবি। লীনা পারভীন তার ফেসবুক ওয়ালে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ছবিটি পোস্ট করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সেই ছবি ভাইরাল। ধিক্কার জানাচ্ছেন সচেতন নাগরিকরা।
নাদেরা সুলতানা নদী মন্তব্য করেছেন- ...এবার একটা ঝড় উঠুক, কোথাও তো কেউ আছে বলে মনে হচ্ছে না, কান্না পাচ্ছে আমার খুব!!!
আশরাফুল আজম খান নামে একজন মন্তব্য করেছেন- আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিকাশ যে হইতেছে তাহার নিদর্শন বৈকি!
আমিনা আফরোজ আনা লিখেছেন- ইতিহাস বিকৃত হতে হতে শেষে কোথায় যে গিয়ে দাঁড়াবে!
নাজমুল তপন মন্তব্য করেছেন- ধরনী দ্বিধা হও!
প্রশ্ন হচ্ছে- মাস্টারমাইন্ড স্কুল কর্তৃপক্ষ হয়তো কোনো প্রতিষ্ঠানে ফরমায়েশ দিয়ে ব্যানারটি বানিয়েছে। ধরে নিলাম স্বল্পশিক্ষিত পেশাদার আর্টিস্ট ভুল করে ভাষাশহীদদের স্থলে মুক্তিযোদ্ধাদের ছবি এঁকেছেন। কিন্তু জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসের এ ব্যানারটি টানানোর আগে একবার চোখ বোলানোর সময় হলো না কর্তৃপক্ষের! তারা কি একবারও ব্যানারটি দেখার প্রয়োজন বোধ করলেন না? নাকি বাণিজ্য-বেসাতির ধান্দায় তারা চোখে ঠুলি পরে আছেন। যে কারণে এতো বড় ভুলটি তাদের চোখে পড়লো না!
Share:

Thursday, 16 February 2017

৩৭ তম বিসিএস এর লিখিত প্রশ্নগুলো পড়ুন সব একসাথে

৩৭ তম বিসিএস এর লিখিত প্রশ্নগুলো পড়ুন সব একসাথে


















৩৭ তম বিসিএস এর লিখিত প্রশ্নগুলো পড়ুন সব একসাথে


















Share:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হলো ৭ কলেজ


রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজ আজ বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হলো।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি এ কলেজগুলোকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল তথ্য সবার আগে পেতে আমাদের গ্রুপে যোগ দিন এখানে ক্লিক করুন 

কলেজগুলো হচ্ছে- ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।


https://www.facebook.com/orobindobd/posts/1746926395621565এসব কলেজে অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে বর্তমানে এক লাখ ৬৭ হাজার ২৩৬ জন ছাত্রছাত্রী এবং এক হাজার ১৪৯ জন শিক্ষক রয়েছেন।
আজ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দপ্তরসংলগ্ন লাউঞ্জে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সাতটি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উচ্চশিক্ষার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সরকারি কলেজগুলোকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অধিভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় উপাচার্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।
উপাচার্য বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ অনুযায়ী তাঁর লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাব। এখন থেকে এই অধিভুক্ত কলেজগুলোর ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি প্রক্রিয়া, পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিচালিত হবে।’
উপাচার্য আরো বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস অনুযায়ী বিদ্যায়তনিক কার্যক্রমও পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি এ বিষয়ে উপস্থিত অধ্যক্ষদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
https://www.facebook.com/orobindobd/posts/1746926395621565সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোয়াজ্জাম হোসেন মোল্লাহ, ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক গায়ত্রী চ্যাটার্জী, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ আবদুল কুদ্দুস, কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মুক্তি রানী সাহা, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. দীপিকা দেওয়ান, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. ইমাম হোসেন এবং সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবু হায়দার আহমেদ নাছের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনামউজ্জামান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বাহালুল হক চৌধুরী জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. নূর-ই-ইসলাম, কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও হিসাব পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ আবদুল কুদ্দুস মোল্লা।

রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজ আজ বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হলো।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি এ কলেজগুলোকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল তথ্য সবার আগে পেতে আমাদের গ্রুপে যোগ দিন এখানে ক্লিক করুন 

কলেজগুলো হচ্ছে- ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।


https://www.facebook.com/orobindobd/posts/1746926395621565এসব কলেজে অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে বর্তমানে এক লাখ ৬৭ হাজার ২৩৬ জন ছাত্রছাত্রী এবং এক হাজার ১৪৯ জন শিক্ষক রয়েছেন।
আজ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দপ্তরসংলগ্ন লাউঞ্জে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সাতটি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উচ্চশিক্ষার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সরকারি কলেজগুলোকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অধিভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় উপাচার্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।
উপাচার্য বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ অনুযায়ী তাঁর লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাব। এখন থেকে এই অধিভুক্ত কলেজগুলোর ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি প্রক্রিয়া, পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিচালিত হবে।’
উপাচার্য আরো বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস অনুযায়ী বিদ্যায়তনিক কার্যক্রমও পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি এ বিষয়ে উপস্থিত অধ্যক্ষদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
https://www.facebook.com/orobindobd/posts/1746926395621565সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোয়াজ্জাম হোসেন মোল্লাহ, ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক গায়ত্রী চ্যাটার্জী, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ আবদুল কুদ্দুস, কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মুক্তি রানী সাহা, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. দীপিকা দেওয়ান, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. ইমাম হোসেন এবং সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবু হায়দার আহমেদ নাছের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনামউজ্জামান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বাহালুল হক চৌধুরী জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. নূর-ই-ইসলাম, কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও হিসাব পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ আবদুল কুদ্দুস মোল্লা।
Share:

Tuesday, 7 February 2017

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য জানতে গুরুত্বপূর্ণ ফোন নাম্বার জেনেনিন

মোহাম্মাদ রনি:- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য সেবা পেতে কল সেন্টার চালু করা হয়েছে।  দেশ-বিদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে যে কেউ এ কল সেন্টারের মাধ্যামে সেবা নিতে পারবে। শনিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকাস্থ ধানমন্ডির নগর অফিসে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ ওই কলসেন্টার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল তথ্য সবার আগে পেতে আমাদের গ্রুপে যোগ দিন এখানে ক্লিক করুন 
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যে মধ্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুনাজ আহমেদ নূর, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ নোমান উর রশীদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, পরিচালক (আইসিটি) মোঃ মুমিনুল ইসলাম, প্রক্টর এইচ এম তায়েহীদ জামাল, পরিচালক (জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দপ্তর) ফয়জুল করিম সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিসি বলেন, “সারা দেশব্যাপী অবস্থিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজসমূহের ২০ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক ও অন্যান্য সেবা গ্রহীতাগণ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য জানার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতাসহ যে নানা বিড়ম্বনার শিকার হতেন, এ কল সেন্টার কার্যক্রম চালুর ফলে তার অবসান ঘটবে। দেশ-বিদেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে কল সেন্টারের ০৯৬১৪-০১৬৪২৯ অথবা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক-০২৯২৯১০১৭ নম্বরে যোগাযোগ করে যে কেউ তাৎক্ষণিক তথ্য সেবা লাভ করতে পারবেন। Official Email Addresses & Phone
Vice-Chancellor
vc@nu.edu.bd  02 9291011
Pro Vice-Chancellor (Admin)
pro-vc-admin@nu.edu.bd  02 9291012
Pro Vice-Chancellor (Academic)
pro-vc-academic@nu.edu.bd  02 9291013
Treasurer
treasurer@nu.edu.bd  02 9291014
Dean (School of Under Graduate Studies)
dean-ugse@nu.edu.bd  02 9291068
Dean (Centre for Post-Graduate  Studies, Training & Research)
dean-pgse@nu.edu.bd  02 9291074
Dean (Centre for Curriculum Development & Evaluation)
dean-cur@nu.edu.bd  02 9291076
Registrar
registrar@nu.edu.bd  02 9291016
Director (Public Relations, Information & Counseling)
pr@nu.edu.bd  02 9291036
Inspector of Colleges
inspector@nu.edu.bd  02 9291028
Director (Center forCurriculum Development & Evaluation) 0177 778 9040
Librarian
librarian@nu.edu.bd 0177 778 9041
Controller of Examinations
controller@nu.edu.bd  02 9291017
Secretary, Vice-Chancellor Office 02 9291053
Director (Finance & Accounts)
director-fa@nu.edu.bd 0177 778 9043
Director (Planning & Development)
director-pd@nu.edu.bd  02 9291069
Director, ICT Department
director.ict.nu@gmail.com  02 9291071
Director (Physical Education)
director-pe@nu.edu.bd  02 9291054
Director(cc) RCMD director.rcmd.nu@gmail.com 02-9291015
Deputy Chief Medical Officer
0177 778 9044
Proctor 9291033
Deputy Registrar (Law) 0177 778 9046
Deputy Registrar (Admin) 02 9291026
Deputy Director (Information & Counseling Cell) icc@nu.edu.bd icc.nubd@gmail.com 0177 778 9049
Personal Secretary (Vice-Chancellor) 0177 778 9050
Deputy Registrar (Engineering & Transport) 02 9291040
Necessary phone number of Department of Examinations Controller
Sl. no
Section Name
Designation
Phone number
1.
Masters Final Year
Deputy Controller
9291047
2.
Masters Preliminary
Deputy Controller
9291046
3.
Honour’s Part-4
Deputy Controller
9291031
4.
Honour’s Part-3
Deputy Controller
9291041
5.
Honour’s Part-2
Deputy Controller
9291052
6.
Honour’s Part-1
Deputy Controller
9291039
7.
Degree(Pass)
Deputy Controller
9291038
8.
Professional
Deputy Controller
9291042
9.
Certificate
Deputy Controller
9291043
10.
General and Store
Deputy Controller
9291017
11.
Detchpass
Deputy Controller
9291017
12.
Moderation
Deputy Controller
9291018-23/518
Information and Counseling Cell Room No-101, Academic Building Telephone: +880 2 9291059, Fax: +880 2 9291050 Cellphone: 0177 778 9049 E-mail: icc@nu.edu.bd, icc.nubd@gmail.com
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন ব্যবস্থাকে গতিশীল, আধুনিক এবং সেবাদানকে সকলের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর উদ্দেশে এ যাবত গৃহীত পদক্ষেপসমূহের সঙ্গে এ কল সেন্টার প্রবর্তন হচ্ছে আরোও একটি যুগান্তকারী সংযোজন।” জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক  মো. ফয়জুল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার ওই তথ্য জানানো হয়েছে।
মোহাম্মাদ রনি:- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য সেবা পেতে কল সেন্টার চালু করা হয়েছে।  দেশ-বিদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে যে কেউ এ কল সেন্টারের মাধ্যামে সেবা নিতে পারবে। শনিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকাস্থ ধানমন্ডির নগর অফিসে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ ওই কলসেন্টার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল তথ্য সবার আগে পেতে আমাদের গ্রুপে যোগ দিন এখানে ক্লিক করুন 
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যে মধ্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুনাজ আহমেদ নূর, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ নোমান উর রশীদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, পরিচালক (আইসিটি) মোঃ মুমিনুল ইসলাম, প্রক্টর এইচ এম তায়েহীদ জামাল, পরিচালক (জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দপ্তর) ফয়জুল করিম সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিসি বলেন, “সারা দেশব্যাপী অবস্থিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজসমূহের ২০ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক ও অন্যান্য সেবা গ্রহীতাগণ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য জানার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতাসহ যে নানা বিড়ম্বনার শিকার হতেন, এ কল সেন্টার কার্যক্রম চালুর ফলে তার অবসান ঘটবে। দেশ-বিদেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে কল সেন্টারের ০৯৬১৪-০১৬৪২৯ অথবা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক-০২৯২৯১০১৭ নম্বরে যোগাযোগ করে যে কেউ তাৎক্ষণিক তথ্য সেবা লাভ করতে পারবেন। Official Email Addresses & Phone
Vice-Chancellor
vc@nu.edu.bd  02 9291011
Pro Vice-Chancellor (Admin)
pro-vc-admin@nu.edu.bd  02 9291012
Pro Vice-Chancellor (Academic)
pro-vc-academic@nu.edu.bd  02 9291013
Treasurer
treasurer@nu.edu.bd  02 9291014
Dean (School of Under Graduate Studies)
dean-ugse@nu.edu.bd  02 9291068
Dean (Centre for Post-Graduate  Studies, Training & Research)
dean-pgse@nu.edu.bd  02 9291074
Dean (Centre for Curriculum Development & Evaluation)
dean-cur@nu.edu.bd  02 9291076
Registrar
registrar@nu.edu.bd  02 9291016
Director (Public Relations, Information & Counseling)
pr@nu.edu.bd  02 9291036
Inspector of Colleges
inspector@nu.edu.bd  02 9291028
Director (Center forCurriculum Development & Evaluation) 0177 778 9040
Librarian
librarian@nu.edu.bd 0177 778 9041
Controller of Examinations
controller@nu.edu.bd  02 9291017
Secretary, Vice-Chancellor Office 02 9291053
Director (Finance & Accounts)
director-fa@nu.edu.bd 0177 778 9043
Director (Planning & Development)
director-pd@nu.edu.bd  02 9291069
Director, ICT Department
director.ict.nu@gmail.com  02 9291071
Director (Physical Education)
director-pe@nu.edu.bd  02 9291054
Director(cc) RCMD director.rcmd.nu@gmail.com 02-9291015
Deputy Chief Medical Officer
0177 778 9044
Proctor 9291033
Deputy Registrar (Law) 0177 778 9046
Deputy Registrar (Admin) 02 9291026
Deputy Director (Information & Counseling Cell) icc@nu.edu.bd icc.nubd@gmail.com 0177 778 9049
Personal Secretary (Vice-Chancellor) 0177 778 9050
Deputy Registrar (Engineering & Transport) 02 9291040
Necessary phone number of Department of Examinations Controller
Sl. no
Section Name
Designation
Phone number
1.
Masters Final Year
Deputy Controller
9291047
2.
Masters Preliminary
Deputy Controller
9291046
3.
Honour’s Part-4
Deputy Controller
9291031
4.
Honour’s Part-3
Deputy Controller
9291041
5.
Honour’s Part-2
Deputy Controller
9291052
6.
Honour’s Part-1
Deputy Controller
9291039
7.
Degree(Pass)
Deputy Controller
9291038
8.
Professional
Deputy Controller
9291042
9.
Certificate
Deputy Controller
9291043
10.
General and Store
Deputy Controller
9291017
11.
Detchpass
Deputy Controller
9291017
12.
Moderation
Deputy Controller
9291018-23/518
Information and Counseling Cell Room No-101, Academic Building Telephone: +880 2 9291059, Fax: +880 2 9291050 Cellphone: 0177 778 9049 E-mail: icc@nu.edu.bd, icc.nubd@gmail.com
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন ব্যবস্থাকে গতিশীল, আধুনিক এবং সেবাদানকে সকলের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর উদ্দেশে এ যাবত গৃহীত পদক্ষেপসমূহের সঙ্গে এ কল সেন্টার প্রবর্তন হচ্ছে আরোও একটি যুগান্তকারী সংযোজন।” জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক  মো. ফয়জুল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার ওই তথ্য জানানো হয়েছে।
Share:

Monday, 6 February 2017

বিবিএর নতুন সিলেবাস প্রনয়ন, দেখেনিন কোন বর্ষে কয়টি বিষয় এবং কি কি

২০১৩-১৪ সেশনের নতুন সিলেবাস অনুযায়ী দেখে নিন বিবিএর কোন ইয়ারে কয়টা সাবজেক্ট এবং কি কি সাবজেক্ট রয়েছে।

আমাদের সকল পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন
National University | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
National University of bangladesh (session 2016-2017)

আমাদের পেজে লাইক দিয়ে রাখতে পারেন,

বিঃদ্র--শুধুমাত্র বিবিএর ছাত্রদের জন্য প্রযোজ্য।

No automatic alt text available.


Image may contain: text
২০১৩-১৪ সেশনের নতুন সিলেবাস অনুযায়ী দেখে নিন বিবিএর কোন ইয়ারে কয়টা সাবজেক্ট এবং কি কি সাবজেক্ট রয়েছে।

আমাদের সকল পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন
National University | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
National University of bangladesh (session 2016-2017)

আমাদের পেজে লাইক দিয়ে রাখতে পারেন,

বিঃদ্র--শুধুমাত্র বিবিএর ছাত্রদের জন্য প্রযোজ্য।

No automatic alt text available.


Image may contain: text
Share:

Thursday, 2 February 2017

২০১৭ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচী ও বিস্তারিত তথ্য

আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে এবার বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেবে। গত বছরের তুলনায় এবার অনেক বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেবে এ পরীক্ষায়।

আপনাদের সুবিধার্থে উক্ত পরীক্ষার সময়সূচী নিচে তুলে দেওয়া হলোঃ

[এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচী ২০১৭ ডাউনলোড]

২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচী


আমাদের সকল পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন
National University | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
National University of bangladesh (session 2016-2017)

আমাদের পেজে লাইক দিয়ে রাখতে পারেন,





২০১৭ সালের আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচী


২০১৭ সালের এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচী


২০১৭ সালের এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচী

আসছে…

২০১৬ সালের ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচী

আসছে…
০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২০১৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচী প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
উল্লেখ্য ২০১৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। উভয় পরীক্ষার মধ্যে ১০ মিনিট বিরতি রাখা হয়েছে। অর্থাৎ প্রথম ৫০ মিনিট এমসিকিউ পরীক্ষার পর ১০ মিনিট বিরতি দিয়ে রচনামূলক পরীক্ষা শুরু হবে।
এ বছর ১৯টি বিষয়ের ৩৬টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২০১২ সালে প্রথম শুধু বাংলা প্রথম পত্রের সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। গত বছর ১৩টি বিষয়ের ২৫টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর নতুন ছয়টি বিষয়ের ১১টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পলসি জনিত প্রতিবন্ধী ও যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী শ্রুতিলেখক নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এ ধরনের পরীক্ষার্থী ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (অটিস্টিক ও ডাউন সিনড্রোম বা সেরিব্রাল পলসি আক্রান্ত) পরীক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় ও পরীক্ষার কক্ষে অভিভাবক বা শিক্ষক বা সাহায্যকারী নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে।
আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে এবার বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেবে। গত বছরের তুলনায় এবার অনেক বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেবে এ পরীক্ষায়।

আপনাদের সুবিধার্থে উক্ত পরীক্ষার সময়সূচী নিচে তুলে দেওয়া হলোঃ

[এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচী ২০১৭ ডাউনলোড]

২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচী


আমাদের সকল পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন
National University | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
National University of bangladesh (session 2016-2017)

আমাদের পেজে লাইক দিয়ে রাখতে পারেন,





২০১৭ সালের আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচী


২০১৭ সালের এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচী


২০১৭ সালের এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচী

আসছে…

২০১৬ সালের ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচী

আসছে…
০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২০১৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচী প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
উল্লেখ্য ২০১৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। উভয় পরীক্ষার মধ্যে ১০ মিনিট বিরতি রাখা হয়েছে। অর্থাৎ প্রথম ৫০ মিনিট এমসিকিউ পরীক্ষার পর ১০ মিনিট বিরতি দিয়ে রচনামূলক পরীক্ষা শুরু হবে।
এ বছর ১৯টি বিষয়ের ৩৬টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২০১২ সালে প্রথম শুধু বাংলা প্রথম পত্রের সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। গত বছর ১৩টি বিষয়ের ২৫টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর নতুন ছয়টি বিষয়ের ১১টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পলসি জনিত প্রতিবন্ধী ও যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী শ্রুতিলেখক নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এ ধরনের পরীক্ষার্থী ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (অটিস্টিক ও ডাউন সিনড্রোম বা সেরিব্রাল পলসি আক্রান্ত) পরীক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় ও পরীক্ষার কক্ষে অভিভাবক বা শিক্ষক বা সাহায্যকারী নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে।
Share:

সার্টিফিকেট, নম্বরপত্র বা প্রবেশপত্র যদি হারিয়ে ফেলেন তখন যা করবেন

সার্টিফিকেট নম্বরপত্র বা প্রবেশপত্র যদি হারিয়ে ফেলেন সার্টিফিকেট হারিয়ে ভীষণ চিন্তায় পড়ে যান অনেকেই। কী করবেন, কিভাবে সার্টিফিকেট ফিরে পাবেন তা বুঝতে না। সার্টিফিকেট বা এ ধরনের মূল্যবান শিক্ষাসংক্রান্ত কাগজপত্র হারালে বা নষ্ট হয়ে গেলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।Certificate
প্রথমে যা করবেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান জানালেন, সার্টিফিকেট, নম্বরপত্র বা প্রবেশপত্র হারিয়ে গেলে দেরি না করে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া উচিত। এর জন্য প্রথমে আপনার এলাকার নিকটবর্তী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। জিডির একটি কপি অবশ্যই নিজের কাছে রাখতে হবে।
এরপর যে কোনো একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে নাম, শাখা, পরীক্ষার কেন্দ্র, রোল নম্বর, পাসের সাল, বোর্ডের নাম এবং কিভাবে সার্টিফিকেট, নম্বরপত্র অথবা প্রবেশপত্র হারিয়েছেন তা সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।
এরপর শিক্ষা বোর্ডে থানায় জিডি ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আপনাকে যেতে হবে যে বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষা বোর্ডে। শিক্ষা বোর্ডের ‘তথ্যসংগ্রহ কেন্দ্র’ থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহের পর নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে।
এরপর নির্ধারিত ফি সোনালী ব্যাংকের ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে বোর্ডের সচিব বরাবর জমা দিতে হবে। টাকা জমা হওয়ার পর আবেদন কার্যকর হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে মূল ব্যাংক ড্রাফট, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির কাটিং ও থানার জিডির
কপি জমা দিতে হবে।
আবেদনপত্রে যা পূরণ করতে হবেঃ আবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে আপনি কোন পরীক্ষার (মাধ্যমিক না উচ্চমাধ্যমিক) কী হারিয়েছেন এবং কী কারণে আবেদন করছেন। আবেদনপত্রের বিভিন্ন অংশে ইংরেজি বড় অক্ষরে এবং বাংলায় স্পষ্ট অক্ষরে পূর্ণ নাম, মাতার নাম, পিতার নাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম, রোল নম্বর, পাসের বিভাগ/জিপিএ, শাখা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাবর্ষ এবং জন্মতারিখসহ বিভিন্ন তথ্য লিখতে হবে।
পরবর্তী অংশে জাতীয়তা, বিজ্ঞপ্তি যে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেটির নাম ও তারিখ এবং সোনালী ব্যাংকের যে শাখায় ব্যাংক ড্রাফট করেছেন সে শাখার নাম, ড্রাফট নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশের প্রয়োজন হবে। এতে তার দস্তখত ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে। আর প্রাইভেট প্রার্থীদের আবেদনপত্র অবশ্যই গেজেটেড কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে।
ব্যতিক্রম আছেঃ  নষ্ট হয়ে যাওয়া সনদপত্র/নম্বরপত্র/একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের অংশবিশেষ থাকলে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে না বা থানায় জিডি করতে হবে না। এ ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ওই অংশবিশেষ জমা দিতে হবে। তবে সনদে ও নম্বরপত্রের অংশবিশেষে নাম, রোল নম্বর, কেন্দ্র, পাসের বিভাগ ও সন, জন্মতারিখ এবং পরীক্ষার নাম না থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
আর বিদেশি নাগরিককে ব্যাংক ড্রাফটসহ নিজ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। কত টাকা লাগবে সাময়িক সনদ, নম্বরপত্র, প্রবেশপত্র ফি (জরুরি ফিসহ) ১৩০ টাকা। এছাড়া ত্রি-নকলের জন্য ১৫০ টাকা এবং চৌ নকলের জন্য ২৫০ টাকা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে জমা দিতে হয়। আর টাকার কম বেশিও হতে পারে। ওয়েবসাইট থেকে বর্তমান তথ্য পেতে পারেন।
সার্টিফিকেট নম্বরপত্র বা প্রবেশপত্র যদি হারিয়ে ফেলেন সার্টিফিকেট হারিয়ে ভীষণ চিন্তায় পড়ে যান অনেকেই। কী করবেন, কিভাবে সার্টিফিকেট ফিরে পাবেন তা বুঝতে না। সার্টিফিকেট বা এ ধরনের মূল্যবান শিক্ষাসংক্রান্ত কাগজপত্র হারালে বা নষ্ট হয়ে গেলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।Certificate
প্রথমে যা করবেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান জানালেন, সার্টিফিকেট, নম্বরপত্র বা প্রবেশপত্র হারিয়ে গেলে দেরি না করে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া উচিত। এর জন্য প্রথমে আপনার এলাকার নিকটবর্তী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। জিডির একটি কপি অবশ্যই নিজের কাছে রাখতে হবে।
এরপর যে কোনো একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে নাম, শাখা, পরীক্ষার কেন্দ্র, রোল নম্বর, পাসের সাল, বোর্ডের নাম এবং কিভাবে সার্টিফিকেট, নম্বরপত্র অথবা প্রবেশপত্র হারিয়েছেন তা সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।
এরপর শিক্ষা বোর্ডে থানায় জিডি ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আপনাকে যেতে হবে যে বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষা বোর্ডে। শিক্ষা বোর্ডের ‘তথ্যসংগ্রহ কেন্দ্র’ থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহের পর নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে।
এরপর নির্ধারিত ফি সোনালী ব্যাংকের ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে বোর্ডের সচিব বরাবর জমা দিতে হবে। টাকা জমা হওয়ার পর আবেদন কার্যকর হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে মূল ব্যাংক ড্রাফট, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির কাটিং ও থানার জিডির
কপি জমা দিতে হবে।
আবেদনপত্রে যা পূরণ করতে হবেঃ আবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে আপনি কোন পরীক্ষার (মাধ্যমিক না উচ্চমাধ্যমিক) কী হারিয়েছেন এবং কী কারণে আবেদন করছেন। আবেদনপত্রের বিভিন্ন অংশে ইংরেজি বড় অক্ষরে এবং বাংলায় স্পষ্ট অক্ষরে পূর্ণ নাম, মাতার নাম, পিতার নাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম, রোল নম্বর, পাসের বিভাগ/জিপিএ, শাখা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাবর্ষ এবং জন্মতারিখসহ বিভিন্ন তথ্য লিখতে হবে।
পরবর্তী অংশে জাতীয়তা, বিজ্ঞপ্তি যে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেটির নাম ও তারিখ এবং সোনালী ব্যাংকের যে শাখায় ব্যাংক ড্রাফট করেছেন সে শাখার নাম, ড্রাফট নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশের প্রয়োজন হবে। এতে তার দস্তখত ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে। আর প্রাইভেট প্রার্থীদের আবেদনপত্র অবশ্যই গেজেটেড কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে।
ব্যতিক্রম আছেঃ  নষ্ট হয়ে যাওয়া সনদপত্র/নম্বরপত্র/একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের অংশবিশেষ থাকলে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে না বা থানায় জিডি করতে হবে না। এ ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ওই অংশবিশেষ জমা দিতে হবে। তবে সনদে ও নম্বরপত্রের অংশবিশেষে নাম, রোল নম্বর, কেন্দ্র, পাসের বিভাগ ও সন, জন্মতারিখ এবং পরীক্ষার নাম না থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
আর বিদেশি নাগরিককে ব্যাংক ড্রাফটসহ নিজ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। কত টাকা লাগবে সাময়িক সনদ, নম্বরপত্র, প্রবেশপত্র ফি (জরুরি ফিসহ) ১৩০ টাকা। এছাড়া ত্রি-নকলের জন্য ১৫০ টাকা এবং চৌ নকলের জন্য ২৫০ টাকা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে জমা দিতে হয়। আর টাকার কম বেশিও হতে পারে। ওয়েবসাইট থেকে বর্তমান তথ্য পেতে পারেন।
Share:

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে অনার্স প্রফেশনাল ভর্তির ২য় মেধা তালিকা ও মাইগ্রেশন এর ফলাফল জানবেন যেভাবে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল ভর্তি কার্যক্রমের ১ম মেধা তালিকায় ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের কোর্স পরিবর্তন ও ২য় মেধা তালিকা ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখ প্রকাশিত হবে। উক্ত ফলাফল ঐদিন বিকাল ৪টার পর প্রথমে SMS এর মাধ্যমে তারপর রাত ৯ টার পর অনলাইনে প্রকাশ করা হবে। 
ফলাফল প্রকাশের পর ২য় মেধাতালিকায় সুযোগপ্রাপ্তদের ০৪/০২/২০১৭ তারিখ থেকে ০৯/০২/২০১৭ তারিখের মধ্যে অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ করে রেজিস্ট্রেশন ফি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ কলেজে জমা দিতে হবে। স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ক্লাশ ১৫ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে।
আমাদের সকল পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন
National University | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
National University of bangladesh (session 2016-2017)

আমাদের পেজে লাইক দিয়ে রাখতে পারেন,
এসএমএস এর মাধ্যমে ফলাফল দেখবেন যেভাবেঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল ভর্তি কার্যক্রমের ১ম মেধা তালিকার কোর্স পরিবর্তন ও ২য় মেধা তালিকার ফলাফল সর্ব প্রথম এসএমএস এর মাধ্যমে ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বিকেল ৪ টার পরে প্রকাশ হবে। এই পদ্ধতিতে ফলাফল দেখার পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলোঃ
যেকোন মোবাইল এর মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুনঃ
NU<space>ATHP<space>Roll No
এরপর পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ নম্বরে।
[বি.দ্রঃ এসএমএস এর মাধ্যমে বিকাল ৪ টায় ফলাফল প্রকাশের কথা থাকলে অনেক সময় নির্ধারিত সময়ের কিছু সময় পরে ফলাফল প্রকাশ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ফলাফল প্রকাশ হওয়ার আগে এসএমএস করলে কোন রিপ্লাই এসএসএস পাবেন না/ ভুল ফলাফল পেতে পারেন। তাই ফলাফল প্রকাশ হওয়ার আগে এসএমএস করা থেকে বিরত থাকুন]
অনলাইনে ফলাফল দেখবেন যেভাবেঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল ভর্তি কার্যক্রমের ১ম মেধা তালিকার কোর্স পরিবর্তন ও ২য় মেধা তালিকার ফলাফল ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ রাত ৯ টার পরে অনলাইনে প্রকাশ হবে। উক্ত ফল এখন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটের পাশাপাশি লেখাপড়া বিডি’র এই পোস্টের মধ্যে দেওয়া ফরমে আপনার ভর্তির আবেদনপত্রে প্রাপ্ত রোল নম্বর ও পিন নম্বর দিয়ে লগিন করে ফলাফল দেখতে পাবেন।

অনলাইনে স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল ভর্তির ফলাফল দেখতে এখানে লগিন করুনঃ

মোবাইল থেকে দেখতে সমস্যা হলে এখানে ক্লিক করুন।
pin

ভর্তি সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও তারিখঃ


মাইগ্রেশন এর ক্ষেত্রেঃ
  • ১ম মেধা তালিকায় ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে যাদের বিষয় পরিবর্তন হবে তাদের পরিবর্তিত বিষয়ের ফরম প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দেয়ার তারিখঃ ০২/০২/২০১৭ থেকে ০৯/০২/২০১৭
  • কোন শিক্ষার্থীর মাইগ্রেশন করে বিষয় পরিবর্তন হলে তার পূর্বের বিষয়ের ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে এবং পরিবর্তিত বিষয়ে তার ভর্তি নিশ্চিত হবে৷ তবে কোন শিক্ষার্থীর বিষয় পরিবর্তন না হলে তার পূর্বের বিষয়ে ভর্তি বহাল থাকবে ৷
  • বিষয় পরিবর্তনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে নতুন করে কোন ফি প্রদান করতে হবে না।
  • বিষয় পরিবর্তনের ফরম সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক অনলাইনে নিশ্চয়ন করতে হবে না৷
২য় মেধাতালিকায় সুযোগ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রেঃ
  • ২য় মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তির ফরম প্রিন্ট করে ভর্তি ফি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দেয়ার সময়সীমাঃ ০৪/০২/২০১৭ থেকে ০৯/০২/২০১৭
  • সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক ২য় মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি নিশ্চয়নের সময়সীমাঃ ০৪/০২/২০১৭ থেকে ১১/০২/২০১৭

ভর্তি হতে যে সকল কাগজপত্র লাগবেঃ

  • অনলাইন থেকে মূল আবেদন ফর্মের – ২ সেট ( অবশ্যই A4 অফসেট সাদা কাগজেকালার প্রিন্ট করতে হবে)।
  • প্রাথমিক আবেদনের প্রবেশপত্র -২সেট।
  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি ৪টি এবং স্ট্যাম্প সাইজ ৪টি পেছনে নাম লিখে দিতে হবে (কলেজভেদে কম বেশি হতে পারে)।
  • এসএসসি ও এইচএসসি এর সনদপত্র/প্রশংসা পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট।
  • এসএসসি ও এইচএসসি  মূল নম্বরপত্রের (এইচএসসি এর মুল কপি) সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট।
  • এসএসসি ও এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ডের (এইচএসসি এর মুল কপি) সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট।
  • টাকা জমার রশিদ।
  • চারিত্রিক সনদপত্র (সাধারণত লাগেনা, কোন কোন কলেজে লাগতে পারে) – ২ টি।
উল্লেখ্য, সকল কাগজপত্র ২ কপি করে ২সেট বানাতে হবে যার এক কপি বিভাগীয় সেমিনারে এবং এক কপি অফিসে জমা দিতে হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল ভর্তি কার্যক্রমের ১ম মেধা তালিকায় ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের কোর্স পরিবর্তন ও ২য় মেধা তালিকা ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখ প্রকাশিত হবে। উক্ত ফলাফল ঐদিন বিকাল ৪টার পর প্রথমে SMS এর মাধ্যমে তারপর রাত ৯ টার পর অনলাইনে প্রকাশ করা হবে। 
ফলাফল প্রকাশের পর ২য় মেধাতালিকায় সুযোগপ্রাপ্তদের ০৪/০২/২০১৭ তারিখ থেকে ০৯/০২/২০১৭ তারিখের মধ্যে অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ করে রেজিস্ট্রেশন ফি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ কলেজে জমা দিতে হবে। স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ক্লাশ ১৫ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে।
আমাদের সকল পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন
National University | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
National University of bangladesh (session 2016-2017)

আমাদের পেজে লাইক দিয়ে রাখতে পারেন,
এসএমএস এর মাধ্যমে ফলাফল দেখবেন যেভাবেঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল ভর্তি কার্যক্রমের ১ম মেধা তালিকার কোর্স পরিবর্তন ও ২য় মেধা তালিকার ফলাফল সর্ব প্রথম এসএমএস এর মাধ্যমে ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বিকেল ৪ টার পরে প্রকাশ হবে। এই পদ্ধতিতে ফলাফল দেখার পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলোঃ
যেকোন মোবাইল এর মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুনঃ
NU<space>ATHP<space>Roll No
এরপর পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ নম্বরে।
[বি.দ্রঃ এসএমএস এর মাধ্যমে বিকাল ৪ টায় ফলাফল প্রকাশের কথা থাকলে অনেক সময় নির্ধারিত সময়ের কিছু সময় পরে ফলাফল প্রকাশ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ফলাফল প্রকাশ হওয়ার আগে এসএমএস করলে কোন রিপ্লাই এসএসএস পাবেন না/ ভুল ফলাফল পেতে পারেন। তাই ফলাফল প্রকাশ হওয়ার আগে এসএমএস করা থেকে বিরত থাকুন]
অনলাইনে ফলাফল দেখবেন যেভাবেঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল ভর্তি কার্যক্রমের ১ম মেধা তালিকার কোর্স পরিবর্তন ও ২য় মেধা তালিকার ফলাফল ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ রাত ৯ টার পরে অনলাইনে প্রকাশ হবে। উক্ত ফল এখন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটের পাশাপাশি লেখাপড়া বিডি’র এই পোস্টের মধ্যে দেওয়া ফরমে আপনার ভর্তির আবেদনপত্রে প্রাপ্ত রোল নম্বর ও পিন নম্বর দিয়ে লগিন করে ফলাফল দেখতে পাবেন।

অনলাইনে স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল ভর্তির ফলাফল দেখতে এখানে লগিন করুনঃ

মোবাইল থেকে দেখতে সমস্যা হলে এখানে ক্লিক করুন।
pin

ভর্তি সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও তারিখঃ


মাইগ্রেশন এর ক্ষেত্রেঃ
  • ১ম মেধা তালিকায় ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে যাদের বিষয় পরিবর্তন হবে তাদের পরিবর্তিত বিষয়ের ফরম প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দেয়ার তারিখঃ ০২/০২/২০১৭ থেকে ০৯/০২/২০১৭
  • কোন শিক্ষার্থীর মাইগ্রেশন করে বিষয় পরিবর্তন হলে তার পূর্বের বিষয়ের ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে এবং পরিবর্তিত বিষয়ে তার ভর্তি নিশ্চিত হবে৷ তবে কোন শিক্ষার্থীর বিষয় পরিবর্তন না হলে তার পূর্বের বিষয়ে ভর্তি বহাল থাকবে ৷
  • বিষয় পরিবর্তনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে নতুন করে কোন ফি প্রদান করতে হবে না।
  • বিষয় পরিবর্তনের ফরম সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক অনলাইনে নিশ্চয়ন করতে হবে না৷
২য় মেধাতালিকায় সুযোগ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রেঃ
  • ২য় মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তির ফরম প্রিন্ট করে ভর্তি ফি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দেয়ার সময়সীমাঃ ০৪/০২/২০১৭ থেকে ০৯/০২/২০১৭
  • সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক ২য় মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি নিশ্চয়নের সময়সীমাঃ ০৪/০২/২০১৭ থেকে ১১/০২/২০১৭

ভর্তি হতে যে সকল কাগজপত্র লাগবেঃ

  • অনলাইন থেকে মূল আবেদন ফর্মের – ২ সেট ( অবশ্যই A4 অফসেট সাদা কাগজেকালার প্রিন্ট করতে হবে)।
  • প্রাথমিক আবেদনের প্রবেশপত্র -২সেট।
  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি ৪টি এবং স্ট্যাম্প সাইজ ৪টি পেছনে নাম লিখে দিতে হবে (কলেজভেদে কম বেশি হতে পারে)।
  • এসএসসি ও এইচএসসি এর সনদপত্র/প্রশংসা পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট।
  • এসএসসি ও এইচএসসি  মূল নম্বরপত্রের (এইচএসসি এর মুল কপি) সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট।
  • এসএসসি ও এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ডের (এইচএসসি এর মুল কপি) সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট।
  • টাকা জমার রশিদ।
  • চারিত্রিক সনদপত্র (সাধারণত লাগেনা, কোন কোন কলেজে লাগতে পারে) – ২ টি।
উল্লেখ্য, সকল কাগজপত্র ২ কপি করে ২সেট বানাতে হবে যার এক কপি বিভাগীয় সেমিনারে এবং এক কপি অফিসে জমা দিতে হবে।
Share:

Unordered List

Loading...

আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

Recent Posts

Most Popular

Followers

Follow by Email